Sunday, 12 October 2014

এবার তোমার পালা

রাত এগারোটা বাজে আকশে পূর্ণিমার আলোর ছড়াছড়ি চারপাশে শুনশান নিরবতা দূরের ঝোপ থেকে ঝিঁঝি পোকাদের একটানা আওয়াজ ভেসে আসছে শুভ’ আজ মন ভাল একটু বেশী ভাল অনুপম শুভ্র ব্যাংকে চাকরী করে ভালই বেতন পায় সে আর তার বউ পাঁপড়ি রাজার হালে আছে বলতে গেলে বাড়তি কোন ঝামেলা নেই বাচ্চা কাচ্চা নেই বছর তিনেকের মধ্যে নেওয়ার তেমন কোন ইচ্ছেও নেই আজ শুভ্র’র প্রোমোশন হয়েছে জুনিয়র অফিসর থেকে তার র‍্যাঙ্ক এখন অফিসার মনের ভিতর বসন্ত বাতাস আজ আকুপাকু করছে পাঁপড়ির জন্য দামী ঢাকাইয়া জামদানী শাড়ি কিনে এনেছে পাশের ঘরে পাঁপড়ি সেই শাড়ীটা পড়ছে

গর্বিত পিতা

মিসেস রহমান দুপুরের রান্না চড়িয়েছেন। চুলায় তরকারীর কড়াই। বলক দিচ্ছে। এমন সময় দরজা খোলার শব্দ হলো। তার স্কুল পড়ুয়া ছেলে বাড়ী ফিরে এসেছে। কিছুটা ক্লান্ত ভঙ্গিতে হেঁটে সে তার রুমের দিকে গেলো। তার ছেলেটা এত চুপচাপ নয়। চেহারাটা তার যেমন নজর কাড়া মনটাও সরল। স্কুলে যা হয় সব বাবা-মা কে খুলে বলে। মিসেস রহমান ছেলের রুমে গেলেন। ছেলে গোসল খানায় ঢুকেছে। বেশ সময় নিয়ে সে গোসল করল। বেরোনোর পর তিনি ছেলেকে ধরলেন। ছেলে কিছুই বলে না। অনেক পীড়াপীড়ির পর ছেলে মুখ খুলল, “আজ আমি আমার স্কুলের ইংলিশ শিক্ষকের সাথে সেক্স করেছি”। কি বলে ছেলে। এই বয়সেই সেক্স করা শুরু করেছে ছেলে। তিনি মুখ ভার করে বেরিয়ে গেলেন।